বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা গত ২৫ মার্চ ঘোষণা দেওয়ার পর অর্থ মন্ত্রণালয় ৫ হাজার কোটি
টাকার তহবিল গঠনের নিদের্শনা দেয় বাংলাদেশ ব্যাংককে। বাংলাদেশ ব্যাংক সেই
নিদের্শনার আলোকে গেলো বৃহস্পতিবার ২ এপ্রিল এ নীতিমালা জারি করে।
যেসব কারখানা গত ডিসেম্বর, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসের শ্রমিকদের নিয়মিত বেতন দিয়েছে, তারাই বিবেচিত হবে সচল প্রতিষ্ঠান হিসেবে। ঋণ পেতে পাশাপাশি ওই তিন মাসের রপ্তানি কার্যক্রমও থাকতে হবে তাদের।
বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠানগুলো যেসব ব্যাংকের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে তার মধ্যে যেকোনো একটি ব্যাংক সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তিন মাসের বেতন বই পরীক্ষা–নিরীক্ষা করবে। এর পরই ঋণের জন্য ব্যাংকে আবেদন করতে পারবেন কারখানার মালিকেরা। তবে তিন মাসে যা বেতন দেওয়া হয়েছে, গড়ে তার চেয়ে বেশি ঋণের জন্য আবেদন করা যাবে না। ঋণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো সুদ নেবে না, তবে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো ২ শতাংশ পর্যন্ত মাশুল নিতে পারবে।
নীতিমালায় বলা হয়, ব্যাংকগুলো ঋণের জন্য আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে থেকে ঋণ নেবে। এরপর ওই প্রতিষ্ঠানকে দেবে। ২০ এপ্রিলের মধ্যে ঋণের জন্য আবেদন করতে হবে। বাংলাদেশ ব্যাংক তিন দফায় তিন মাসের বেতনের টাকা দেবে। এটা শুরু হবে এপ্রিলের শেষ সপ্তাহ থেকে, চলবে জুন পর্যন্ত।
আরও বলা হয়েছে, এ ঋণের টাকা বাংলাদেশ ব্যাংককে ২ বছরের মধ্যে শোধ করবে ব্যাংকগুলো। এ জন্য প্রথম ৬ মাস ঋণ পরিশোধে বিরতি পাবে, পরের ১৮ মাসে ১৮ কিস্তিতে টাকা শোধ দিতে হবে।
ডেস্ক রিপোর্ট - আপন টিভি ডট প্রেস


0 মন্তব্যসমূহ